
একটা রাইফেল, একটা সীমান্ত।
একটা ভিনদেশী বুলেটের আততায়ী অনুপ্রবেশ।
কাটাতারের বেড়ায়, ঝুলছে কিশোরীর লাশ।
ধর্ষিত পতাকায় আমার অক্ষম বর্ধিত দীর্ঘশ্বাস!
ফেলানী আমার ভৌগলিক সীমান্তে লুন্ঠিত জাতীয়তা।
কাটাতারে গেঁথে রাখা ভন্ডামির মানবতা।
ফেলানী আমার কুৎসিত মৈত্রী সমৃদ্ধির বেশ্যা প্রবৃত্তি।
ভাড়ামীর বন্ধুত্বার দায় দন্ডিত জাতির পতাকা
তবু জেনে রাখিস ফেলানী, বন্ধুত্ব করেছিলাম ভালোবাসায়
একাত্তরের অভিধান আমি এখনো বেঁচেনি।।
কবিতার অংশঃ
“আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই
আজো আমি মাটিতে মৃত্যূর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে…
এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দু:স্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময় ?
রক্তের কাফনে মোড়া — কুকুরে খেয়েছে যারে, শকুনে খেয়েছে যারে
সে আমার ভাই, সে আমার মা, সে আমার প্রিয়তম পিতা।
স্বাধীনতা — একি হবে নষ্ট জন্ম ?
একি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল ?
জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে”
ফেলানী আমার
তোর জীবনের দামে চুপ মেরে থাকে দেশের সম্ভ্রম
আমিও ওদের মতো নির্লজ্জ জনগন
ফেলানী আমার,তোর জীবনের দামে
তবু চুপ মেরে থাকে দেশের সম্ভ্রম
আমিও ওদের মতো নির্লজ্জ জনগন
আমায় ক্ষমা করিস ফেলানী
১৪কোটি জনগন তোকে বাঁচাতে পারেনি
Lyrics are provided for personal, educational, and non-commercial use. Rights belong to their respective owners. If you represent a rights holder and have a concern, please contact the site owner.
