
প্রসাদী সুর – একতালা।
এবার আমি ভাল ভেবেছি।
এক ভাবীর কাছে ভাব শিখেছি॥
যে দেশেতে রজনী নাই,
সেই দেশের এক লোক পেয়েছি।
আমার কিবা দিবা কিবা সন্ধ্যা,
সন্ধ্যাকে বন্ধ্যা করেছি॥
ঘুম ছুটেছে, আর কি ঘুমাই যুগে যুগে জেগে আছি।
এবার যার ঘুম তারে দিয়ে, ঘুমের ঘুম পাড়ায়েছি॥
সোহাগা গন্ধক মিশায়ে, সোণাতে রং ধরায়েছি।
মণি-মন্দির মেজে দিব, মনে এই আশা করেছি॥
প্রসাদ বলে ভক্তি মুক্তি উভয়কে মাথে ধরেছি।
এবার শ্যামার নাম ব্রহ্ম জেনে,
ধর্মকর্ম সব ছেড়েছি॥
প্রসাদী – একতালা
এবার আমি সার ভেবেছি।
এক ভাবীর কাছে ভাব শিখেছি॥
যে দেশে রজনী নাই মা, সে দেশের এক লোক পেয়েছি।
আমার কিবা দিবা কিবা সন্ধ্যা, সন্ধ্যাকে বন্ধ্যা করেছি॥
ঘুম ছুটেছে আর কি ঘুমাই, যুগে যুগে জেগে আছি।
এবার যার ঘুম তারে দিয়ে, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি॥
সোহাগা গন্ধক মিশায়ে, সোনাতে রং ধরায়েছি।
মণিমন্দির মেজে দিব, মনে এই আশা করেছি॥
প্রসাদ বলে ভক্তি মুক্তি উভয়কে মাথে ধরেছি।
এবার শ্যামার নাম ব্রহ্ম জেনে, ধর্ম কর্ম সব ছেড়েছি॥
এবার আমি ভাল ভেবেছি।
এক ভাবীর কাছে ভাব শিখেছি॥
যে দেশেতে রজনী নাই, সেই দেশের এক লোক পেয়েছি।
আমার কিবা দিবা, কিবা সন্ধ্যা, সন্ধ্যাকে বন্ধ্যা করেছি॥
ঘুম ছুটেছে, আর কি ঘুমাই, যুগে যুগে জেগে আছি।
এবার যার ঘুম তারে দিয়ে, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি॥
সোহাগা গন্ধক মিশায়ে, সোনাতে রং ধরায়েছি।
মণি-মন্দির মেজে দিব, মনে এই আশা করেছি॥
প্রসাদ বলে, ভক্তি মুক্তি উভয়কে মাথে ধরেছি।
আমি কালী ব্রহ্ম জেনে মর্ম, ধর্মাধর্ম1 সব ছেড়েছি॥2
***
1. শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস বলিতেন – “এখানে ধর্ম মানে বৈধী ধর্ম। যেমন দান কর্তে হবে, শ্রাদ্ধ, কাঙালীভোজন, এই সব। এই ধর্মকেই বলে কর্মকাণ্ড।” – শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ-কথামৃত।
গীতাতেও শ্রীভগবান্ ধর্ম-শব্দটি এই অর্থে প্রয়োগ করিয়াছেন – ‘সকল ধর্ম পরিত্যাগ করিয়া এক আমার শরণ গ্রহণ কর’ – “সর্বধর্মান্ পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ”। ১৮।৬৬
2. এবার শ্যামার নাম ব্রহ্ম জেনে, ধর্ম কর্ম সব ছেড়েছি।
Lyrics are provided for personal, educational, and non-commercial use. Rights belong to their respective owners. If you represent a rights holder and have a concern, please contact the site owner.
